নিজস্ব সংবাদদাতা: এন্ড্রয়েড মোবাইলে বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে বজ্রপাতের সম্ভাবনা জানিয়ে সতর্কবার্তা এসেছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও প্রাণ বাঁচানো গেল না। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় ব্লকের ঠেঙামারা এলাকায় নিজের কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হল এক কৃষকের।
মৃতের নাম তাপস সাবরা (৫০)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেলে তিনি নিজের জমিতে কৃষিকাজ করছিলেন। সেই সময় হঠাৎ আকাশ মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এর মধ্যেই বজ্রাঘাতে গুরুতর জখম হন তাপসবাবু।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে মকরামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ঘটনার কয়েক মিনিট আগে তাঁর এন্ড্রয়েড মোবাইলে বজ্রপাতের আগাম সতর্কবার্তা এসেছিল। তবে তিনি তখনও মাঠে কাজ করছিলেন।
বর্ষাকালে বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ায় প্রশাসন ও আবহাওয়াবিদদের পরামর্শ, মোবাইলে বজ্রপাতের সতর্কবার্তা পেলেই খোলা মাঠ, জলাশয় বা গাছের নিচে না থেকে দ্রুত নিরাপদ পাকা আশ্রয়ে চলে যেতে হবে। নারায়ণগড়ের এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও সেই সতর্কতার গুরুত্ব সামনে এনে দিল।











