প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

পেট্রোল-ডিজেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, চরম চাপে মধ্যবিত্তের সংসার

Published on: July 27, 2026
---Advertisement---

নিজস্ব সংবাদদাতা: পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের লাগামছাড়া দামে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খাওয়া মধ্যবিত্তের প্রশ্ন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে প্রভাব পড়ে দেশের বাজারে, কিন্তু দাম কমলে সেই স্বস্তি কেন পৌঁছায় না সাধারণ মানুষের ঘরে? এবারও সেই পুরনো ব্যাখ্যাই সামনে আনল কেন্দ্র। আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দামের অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে জানানো হয়েছে, এখনই জ্বালানির দাম কমানোর সুযোগ নেই।

রবিবার কলকাতার এক অনুষ্ঠানে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান অশোক লাহিড়ী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এখনও স্থিতাবস্থা ফেরেনি। তাই দেশে পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজির দাম কমানো সম্ভব নয়। তাঁর যুক্তি, বিশ্ববাজারে দামের ঘনঘন ওঠানামার সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিদিন দেশের বাজারে মূল্য পরিবর্তন করা বাস্তবসম্মত নয়।

কিন্তু এই বক্তব্যে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের যুক্তি মুহূর্তে কার্যকর হয়, অথচ দাম কমানোর সময় সেই যুক্তিই হয়ে ওঠে দীর্ঘসূত্রিতার কারণ। বর্তমানে ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯৫৩ টাকা, বাণিজ্যিক গ্যাস ৩,০৪৭ টাকা, পেট্রোল প্রতি লিটার ১১৩.৬৮ টাকা এবং ডিজেল ৯৯.৯৭ টাকা। জ্বালানির এই উচ্চমূল্যের প্রভাব পড়ছে পরিবহণ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও। ফলে মূল্যবৃদ্ধির চাপ আরও বাড়ছে সাধারণ মানুষের সংসারে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক বাজার অবশ্যই জ্বালানির দামে প্রভাব ফেলে। তবে দেশের করনীতি, শুল্ক ও অন্যান্য নীতিগত সিদ্ধান্তও খুচরা দামের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই জ্বালানির মূল্য নিয়ে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক বাজার এবং মূল্যবৃদ্ধির এই ত্রিমুখী চাপে সাধারণ মানুষের একটাই প্রশ্ন স্বস্তির দাম কি শুধুই আশ্বাসে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বাস্তবেও কমবে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের মূল্য?

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now