প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

EXCLUSIVE: মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার মজুত! লাইসেন্সও নেই-পিংলা ও সবংয়ের তেমাথানীতে দোকান বন্ধের নির্দেশ

Published on: September 6, 2026
---Advertisement---

পিংলা-সবং: নাম শুনলেই জিভে জল আসে! কোথাও বিরিয়ানি, কোথাও স্টার্টার, আবার শেষ পাতে মিষ্টি। কিন্তু সেই লোভনীয় খাবারের আড়ালেই যদি থাকে মেয়াদ উত্তীর্ণ সামগ্রী কিংবা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ? পশ্চিম মেদিনীপুরে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের সাম্প্রতিক অভিযানে সামনে এল এমনই একাধিক অনিয়মের অভিযোগ।

গত কয়েকদিন ধরে জেলার বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ, মিষ্টির দোকান ও বেকারিতে নজরদারি চালাচ্ছেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। কোথাও সংরক্ষিত খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন, কোথাও বাসি খাবার মজুতের অভিযোগ, আবার কোথাও খাদ্য প্রস্তুতির পরিবেশ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আধিকারিকরা।

রবিবার পিংলা ও সবং ব্লকের একাধিক এলাকায় হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং বেকারিতে অভিযান চালানো হয়। দোকানের খাদ্যসামগ্রী, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় বৈধ নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয়। অভিযোগ, পিংলা এলাকার একটি মিষ্টির দোকান এবং সবং ব্লকের তেমাথানি এলাকার বিদ্যুৎ বেকারি-তে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকা এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী বিক্রির অভিযোগ সামনে আসে। এরপরই সংশ্লিষ্ট দুই দোকানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।

দুই প্রতিষ্ঠানকেই ১৪ দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি দোকানে থাকা মেয়াদ উত্তীর্ণ ও অনুপযুক্ত খাদ্যসামগ্রীও সরিয়ে নষ্ট করে ফেলা হয়। এই অভিযানের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে ক্রেতারা যে খাবারকে নিরাপদ ভেবে টাকা দিয়ে কিনছেন, তার গুণমান কতটা নিশ্চিত? দোকানের বাহ্যিক চাকচিক্য নয়, খাবারের নিরাপত্তাই যে আসল, এই অভিযান যেন সেই বাস্তবতাই সামনে এনে দিল।

খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের এই তৎপরতায় ব্যবসায়ী মহলেও বার্তা স্পষ্ট খাদ্যের মান নিয়ে গাফিলতি কিংবা নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠলে এবার আর সহজে পার পাওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষের দাবি, শুধু দু’একদিনের অভিযান নয়, নিয়মিত নজরদারি চলুক। কারণ ক্রেতার পাতে খাবার পৌঁছনোর আগে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now