নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সকালেই হুঙ্কার‘ডাল-ভাত খাওয়ার আগে গুলি খেতে হবে!’ খড়গপুরে মাফিয়া-গুন্ডাদের বিরুদ্ধে এমনই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। প্রয়োজনে ‘বারুইপুরের মতো’ এনকাউন্টারের কথাও বলেন তিনি।
আর সেই বক্তব্যের রেশ কাটার আগেই দুপুরে সম্পূর্ণ অন্য এক দৃশ্য। খড়গপুরের আরপিএফ ট্রেনিং সেন্টারের ফায়ারিং রেঞ্জে বন্দুক হাতে দিলীপ ঘোষ। নির্ধারিত ব্যবস্থার মধ্যেই নিজের হাতে বন্দুক নিয়ে ফায়ারিং করতে দেখা যায় তাঁকে।
গতকাল রবিবার সকালে মঞ্চ থেকে দুষ্কৃতীদের উদ্দেশে কড়া হুঁশিয়ারি, আর দুপুরে প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বন্দুক হাতে ফায়ারিং একই দিনে দিলীপ ঘোষের এই দুই ছবি ঘিরেই এখন খড়গপুরে চর্চা তুঙ্গে। দিলীপের বক্তব্য ছিল, খড়গপুরে কোনও মাফিয়া বা গুন্ডার দৌরাত্ম্য বরদাস্ত করা হবে না। পুলিশকে কঠোর হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি তিনি বলেন, প্রয়োজনে ‘ট্রিগার টিপতে’ হবে।
এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফায়ারিং রেঞ্জে বন্দুক হাতে দিলীপের উপস্থিতি যেন সকালের বক্তব্যকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে সকালের ‘গুলি’র হুঁশিয়ারি আর দুপুরের বন্দুক হাতে ফায়ারিং, একই দিনে দিলীপের এই ‘দাবাং’ বার্তার তাৎপর্য কী?
তবে ফায়ারিংটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নির্ধারিত ব্যবস্থার মধ্যেই হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। ফলে ঘটনাটিকে ঘিরে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যাই হোক, খড়গপুরে একই দিনে দিলীপ ঘোষের ‘হুঁশিয়ারি থেকে ফায়ারিং রেঞ্জ’ দুই দৃশ্যই আপাতত আলোচনার কেন্দ্রে।














