প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

‘কালা হিরণ’ টিজার নিয়ে কড়া দিল্লি হাইকোর্ট, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরানোর নির্দেশ

Published on: July 28, 2026
---Advertisement---

নয়াদিল্লি: মুক্তির আগেই বড় আইনি ধাক্কা খেল ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’। ছবির টিজার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রযোজকরা টিজার না সরালে ইউটিউব ও এক্স (সাবেক টুইটার)-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলিকে তা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হবে।

সোমবার সলমন খানের দায়ের করা মানহানির মামলার শুনানিতে ছবির প্রযোজক অমিত জানির ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে আদালত। বিচারপতি জ্যোতি সিং মন্তব্য করেন, বিচারাধীন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এই ধরনের চলচ্চিত্রের প্রচার একজন ব্যক্তির সম্মান ও ভাবমূর্তির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, টিজারটি অনলাইনে যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ সলমন খানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে। বিচারপতি বলেন, “গতবার কোনও কঠোর নির্দেশ না দেওয়ায় আপনারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। মনে হচ্ছে, আইনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। একজন মানুষের ভাবমূর্তি তৈরি হতে বহু বছর লাগে, কিন্তু তা নষ্ট হতে সময় লাগে না।”

শুনানির সময় আদালতে ফের টিজারটি প্রদর্শন করা হয়। তা দেখার পর বিচারপতি মন্তব্য করেন, যে মামলা এখনও আদালতের বিচারাধীন, সেটিকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রচার আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার প্রতিও অসম্মান প্রদর্শনের শামিল হতে পারে। তিনি আরও বলেন, “একজন সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রেও এমন পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য নয়। মাত্র ২৪ ঘণ্টার জন্যও এই ধরনের বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে থাকলে তার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে রাজস্থানের কোঙ্কানি গ্রামে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলাকালীন কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সলমন খানের বিরুদ্ধে। ২০১৮ সালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়ে দু’রাত কারাবাস করেন। পরে জামিন পেলেও মামলাটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে।

সেই বহুচর্চিত ঘটনাকে ভিত্তি করেই পরিচালক ভরত শ্রীনাথ নির্মাণ করেছেন ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’। তবে টিজার প্রকাশের পরই মানহানির অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন সলমন খান। সেই মামলার শুনানিতেই দিল্লি হাই কোর্টের এই কড়া নির্দেশ সামনে এল। ফলে মুক্তির আগেই ছবিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now