নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কয়েক মাসের স্বস্তির পর ফের কলকাতায় করোনা সংক্রমণের একটি নতুন ঘটনা সামনে এসেছে। দক্ষিণ কলকাতার এক ৮ বছরের শিশুর শরীরে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ধরা পড়ায় চিকিৎসক মহলে সতর্কতা বাড়লেও, সাধারণ মানুষের উদ্দেশে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার বার্তাই দেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল শিশুটি। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় শনিবার সকালে তাকে পঞ্চসায়র এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় ফুসফুসে সংক্রমণের ইঙ্গিত মেলে। এরপর ভাইরাল সংক্রমণ শনাক্ত করতে করা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। বর্তমানে শিশুটিকে হাসপাতালের পৃথক আইসোলেশন ইউনিটে রেখে চিকিৎসা চলছে। সংক্রমণ প্রতিরোধে তার মাকেও হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পরিবারের অন্য সদস্যদেরও প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। শিশুটির বাবাকে কয়েকদিন বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের বক্তব্য, বর্তমান পরিস্থিতি অতীতের মহামারির মতো নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। তাই গুজবে কান না দিয়ে উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, অন্ধ্রপ্রদেশে করোনা সংক্রমণ ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। কাডাপা জেলায় কোভিডে আক্রান্ত দুই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর মিলেছে। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন এক তরুণ মেডিকেল ছাত্রও, যিনি বর্তমানে হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসাধীন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশ স্বাস্থ্য দফতর আক্রান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে। র্যাপিড রেসপন্স টিম গঠন করে সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি রিপোর্টের অপেক্ষা চলছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ঋতু পরিবর্তনের সময় জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গকে হালকাভাবে না নিয়ে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই এখন সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।
কলকাতায় নতুন করোনা আক্রান্তের খোঁজ
Published on: July 26, 2026

---Advertisement---













