নিজস্ব প্রতিবেদন: শুকনো অঞ্জির বা ডুমুর শুধু সুস্বাদু শুকনো ফল নয়, পুষ্টিগুণেও বেশ সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই পরিমিত পরিমাণে অঞ্জির খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।
অঞ্জির খাওয়ার উপকারিতা 👇
১. হজমে সহায়ক
অঞ্জিরে থাকা খাদ্যআঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও সহায়ক হতে পারে।
২. হাড়ের জন্য উপকারী পুষ্টি
ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও অন্যান্য খনিজ থাকায় অঞ্জির সুষম খাদ্যতালিকায় হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে পারে।
৩. হৃদ্স্বাস্থ্যে সহায়ক
অঞ্জিরে থাকা পটাশিয়াম ও খাদ্যআঁশ হৃদ্স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে অঞ্জিরকে কোনও হৃদ্রোগের চিকিৎসা হিসেবে দেখা উচিত নয়।
ভাই-বোনের ভালোবাসার উৎসবে বিশেষ চমক, তেমাথানি সেন ওয়াচ কোং অ্যান্ড মোবাইলে কেনাকাটায় ছাড়
৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস
অঞ্জিরে বিভিন্ন পলিফেনল ও অন্যান্য উদ্ভিজ্জ যৌগ রয়েছে, যেগুলির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
৫. মিষ্টির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে
প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি হওয়ায় পরিমাণ বুঝে অঞ্জির অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত মিষ্টির পরিবর্তে খাওয়া যেতে পারে। তবে শুকনো অঞ্জিরে জল কম থাকায় প্রাকৃতিক চিনি ও ক্যালরি তুলনামূলকভাবে বেশি ঘন থাকে। তবে পরিমাণের দিকে নজর জরুরি
অঞ্জির যতই পুষ্টিকর হোক, বেশি খাওয়া ঠিক নয়। শুকনো অঞ্জিরে প্রাকৃতিক চিনি যথেষ্ট পরিমাণে থাকে। তাই ডায়াবেটিস বা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন থাকলে পরিমাণ সম্পর্কে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো। অতিরিক্ত খেলে কারও কারও পেটের অস্বস্তি বা ডায়রিয়াও হতে পারে।














