কলকাতা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রকাশ্যে এল বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি। মোট ২৬৩ জন নেতা-নেত্রীকে নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন কমিটি। তালিকায় জায়গা পেয়েছেন একাধিক মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়ক। পাশাপাশি সাংগঠনিক দায়িত্ব বণ্টনেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করা হয়েছে।
নতুন কমিটিতে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী এবং তাঁর বাবা শিশির অধিকারী। এছাড়াও রাজ্যের সাত মন্ত্রী ও দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে কমিটিতে রাখা হয়েছে। ৩৩ জন বিধায়কও রয়েছেন এই তালিকায়। ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস (ববি)।
নতুন সাংগঠনিক দায়িত্বের তালিকায় শুভেন্দু অধিকারীকে তমলুক সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের দায়িত্বে রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর, আর শান্তনু ঠাকুর পেয়েছেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব।
রাজ্যের নেতাদের মধ্যেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। তাপস রায়কে উত্তর কলকাতা, জগন্নাথ চ্যাটার্জিকে বীরভূম, নিশীথ প্রামাণিককে কোচবিহার, অগ্নিমিত্রা পালকে আসানসোল, দীপক বর্মনকে আলিপুরদুয়ার, শঙ্কর ঘোষকে শিলিগুড়ি এবং অরূপ কুমার দাসকে কাঁথি সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কাঁথি সাংগঠনিক জেলার দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে শিশির অধিকারীকেও। ফলে অধিকারী পরিবারের দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম একই সাংগঠনিক এলাকার সঙ্গে উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে সুরেন্দ্র সিং আহলুওয়ালিয়াকে বর্ধমান, রাজকমল পাঠককে দক্ষিণ কলকাতা, মীনাদেবী পুরোহিতকে উত্তর কলকাতা, রুদ্রনীল ঘোষকে হাওড়া শহর এবং অভিজিৎ দাস (ববি)-কে ডায়মন্ড হারবারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণার পর আগামী দিনে বাংলায় বিজেপির সাংগঠনিক কর্মকৌশল কতটা বদলায়, জেলা স্তরে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কীভাবে সংগঠন পরিচালনা করেন এবং আসন্ন রাজনৈতিক লড়াইয়ে এই নতুন কমিটি কতটা কার্যকর ভূমিকা নেয় এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।












