প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

একতরফা প্রেমের নৃশংস পরিণতি! স্কুলের মধ্যেই শিক্ষিকাকে কুপিয়ে খুন

Published on: August 6, 2026
---Advertisement---

নিজস্ব প্রতিবেদন: একতরফা প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন শিক্ষিকা। সেই ‘অপরাধের’ শাস্তি পেলেন প্রাণ দিয়ে। হরিয়ানার ফরিদাবাদের একটি বেসরকারি স্কুলে দিনের আলোয়, ছাত্র-শিক্ষকদের চোখের সামনেই এক শিক্ষিকাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে আরও শিউরে ওঠার মতো তথ্য এই হত্যাকাণ্ড তাৎক্ষণিক নয়, প্রায় দুই মাস ধরে ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করেই ঘটানো হয়েছে।

পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, ২১ বছরের অভিযুক্ত অমিত এই হত্যার উদ্দেশ্যেই আগেভাগে একটি ধারালো ছুরি কিনেছিল। প্রথমে রাস্তায় হামলার পরিকল্পনা থাকলেও ধরা পড়ার আশঙ্কায় সে সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে। শেষ পর্যন্ত স্কুলকেই বেছে নেয় হত্যার মঞ্চ হিসেবে।

ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বাইকে করে স্কুলে পৌঁছে অভিযুক্ত। শিক্ষিকার স্বামীর নাম করে তাঁকে ক্লাসরুম থেকে বাইরে ডেকে আনে। গেটের কাছে পৌঁছতেই ঝাঁপিয়ে পড়ে অমিত। চুলের মুঠি ধরে গলা ও বুকে একের পর এক ছুরির কোপ মারতে থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আঘাতের তীব্রতায় ছুরিটি বাঁকিয়ে গেলেও থামেনি হামলা। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন শিক্ষিকা সন্ধ্যা শর্মা। তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসা এক কর্মীকেও প্রাণনাশের হুমকি দেয় অভিযুক্ত। গোটা হত্যাকাণ্ড ধরা পড়েছে স্কুলের সিসিটিভি ক্যামেরায়।

জেরায় অভিযুক্ত স্বীকার করেছে, সে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষিকার প্রতি একতরফা আকর্ষণ পোষণ করত। কিন্তু শিক্ষিকা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এর আগেই তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সন্ধ্যা। সে সময় লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়ে রেহাই পেলেও প্রতিশোধের আগুন বুকে পুষে রেখেছিল অমিত। শিক্ষিকা বাসস্থান ও কর্মস্থল বদলালেও তাঁর খোঁজ চালিয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত সুযোগ বুঝে হত্যার ছক কার্যকর করে।

ঘটনার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে তাকে পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুনে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার হয়েছে এবং ঘটনার অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

নিহত শিক্ষিকা সন্ধ্যা শর্মার রেখে যাওয়া সাত ও পাঁচ বছরের দুই শিশু এখন মায়ের স্নেহহারা। শোকে ভেঙে পড়া স্বামীর অভিযোগ, আগের যৌন হয়রানির মামলায় যদি কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে হয়তো আজ এই মর্মান্তিক পরিণতি এড়ানো যেত। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড আবারও প্রশ্ন তুলছে নারীদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে, তার মূল্য কি বারবার প্রাণ দিয়েই চোকাতে হবে?

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

পড়তে ভুলবেন না

দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ইতিহাসে প্রথম! খড়্গপুর স্টেশনে ব্যাটারিচালিত সেগওয়ে নিয়ে টহল RPF-এর

ভালবাসার বিয়ে, পরকীয়ার টান, শেষে স্বামীকে খুন! মিরাটের ‘নীল ড্রাম’ মামলায় মৃত্যুদণ্ড স্ত্রী ও প্রেমিকের

না আছে পাকা বাড়ি, না আছে অঢেল টাকা! তবুও ভাগলপুরের রাহুলকেই জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নিলেন রুশ সুন্দরী

অন্তঃসত্ত্বা সাংবাদিককে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ রাহুলের বিরুদ্ধে! হাসপাতালে ভর্তি মহিলা সাংবাদিক, পাল্টা ‘অপপ্রচার’ বলল কংগ্রেস

একটি তমাল গাছ, ছয় শতাধিক পড়ুয়ার শ্রদ্ধাঞ্জলি! সবংয়ে আত্মত্যাগের ইতিহাসকে নতুন করে চেনার উদ্যোগ

চাকুলিয়াবাসীর জন্য সুখবর! ১৩ অক্টোবর থেকে থামবে ক্রিয়াযোগ এক্সপ্রেস, জানুন সময়সূচি