নিজস্ব সংবাদদাতা: আইনশৃঙ্খলা রক্ষা শুধুমাত্র প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, মানুষের আস্থা অর্জনেরও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জকে সফলভাবে গ্রহণ করে পশ্চিম মেদিনীপুরে এক মানবিক, দক্ষ ও জনমুখী পুলিশ প্রশাসনের নজির গড়েছেন জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা (IPS)।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ আইপিএস আধিকারিক হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অপরাধ দমন, নারী ও শিশু সুরক্ষা, মাদকবিরোধী অভিযান, সাইবার অপরাধ মোকাবিলা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি।
প্রশাসনিক কঠোরতার পাশাপাশি তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও সমানভাবে প্রশংসিত। স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, বাল্যবিবাহ ও শিশু পাচার রোধে প্রচার, মহিলাদের নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো নানা উদ্যোগ তাঁর কাজকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
বড় উৎসব, নির্বাচন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার সূক্ষ্ম পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তাঁর নেতৃত্ব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একই সঙ্গে কর্তব্যনিষ্ঠ পুলিশকর্মীদের উৎসাহিত ও সম্মানিত করার মাধ্যমে বাহিনীর মনোবল বাড়াতেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন।
কঠোরতা ও সহমর্মিতার সুষম সমন্বয়ই পাপিয়া সুলতানার প্রশাসনিক কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ, দ্রুত অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং অপরাধের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান তাঁকে জেলার মানুষের কাছে একজন নির্ভরযোগ্য প্রশাসনিক মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধকে সমান গুরুত্ব দিয়ে যে প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গি তিনি তুলে ধরেছেন, তা নিঃসন্দেহে পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে। তাঁর নেতৃত্বে নিরাপদ, সচেতন ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা আগামী দিনেও একইভাবে অব্যাহত থাকবে। এমনটাই প্রত্যাশা জেলার মানুষের।











