চুঁচুড়া: বন্ধ ঘরের ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছিল স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ। ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন স্বামী। বন্ধ ছিল তাঁর মোবাইল ফোনও। শেষ পর্যন্ত ওড়িশার পুরী থেকে গ্রেপ্তার হলেন মদনমোহন বারিক। স্ত্রী সানন্দা বারিকের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় চুঁচুড়ার প্রতাপপুর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতাপপুরে একটি বন্ধ ঘর থেকে সানন্দার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয় রহস্য। ঘটনার পর থেকেই স্বামী মদনমোহনের কোনও খোঁজ মিলছিল না। তাঁর ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ আরও বাড়ে।
এরপর সানন্দার পরিবারের সদস্যরা মদনমোহনের বিরুদ্ধে চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। শুরু হয় অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি। অবশেষে শুক্রবার রাতে ওড়িশার পুরী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দাম্পত্য কলহ এবং পরকীয়া নিয়ে সন্দেহের জেরেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। পুলিশ সূত্রের দাবি, সানন্দাকে গলা টিপে খুন করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা নিশ্চিত করতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
শনিবার অভিযুক্তকে চুঁচুড়া আদালতে পেশ করে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ বা যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। স্ত্রীর রহস্যমৃত্যুর তদন্তে এখন পুলিশের নজর ধৃত স্বামীর বয়ানের দিকে।













