প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

চৌরঙ্গীতে পুলিশের নাকা তল্লাশি, সাত গাড়ি থেকে উদ্ধার প্রায় ৫০ কুইন্টাল মাংস

Published on: August 15, 2026
---Advertisement---

নিজস্ব সংবাদদাতা, খড়্গপুর: গরু পাচার রুখতে পুলিশের নজরদারি চলার মধ্যেই খড়্গপুরে সাতটি গাড়িতে বিপুল পরিমাণ মাংস পাচারের অভিযোগ উঠল। শুক্রবার খড়্গপুর গ্রামীণ থানার চৌরঙ্গী এলাকায় জাতীয় সড়কে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি গাড়ি ও দু’টি পিক-আপ ভ্যান আটক করে পুলিশ। তল্লাশিতে প্রায় ৫০ কুইন্টাল মাংস উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গরু পাচার রুখতে বৃহস্পতিবার রাত থেকেই চৌরঙ্গী এলাকায় নাকা তল্লাশি শুরু হয়েছিল। শুক্রবার সকালেও সেই অভিযান অব্যাহত ছিল। বেলা বাড়ার পর সন্দেহজনক সাতটি গাড়িতে তল্লাশি চালাতেই বিপুল পরিমাণ মাংসের সন্ধান মেলে। এরপরই গাড়িগুলিতে থাকা ১৮ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, খড়্গপুর শহরের গোলবাজার ও পাঁচবেড়িয়া এলাকা থেকে মাংসগুলি কলকাতার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশের অনুমান, গরু পাচারের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি বাড়ায় নজর এড়িয়ে মাংস পরিবহণের মাধ্যমে পাচারের চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে উদ্ধার হওয়া মাংসের প্রকৃতি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছয়নি পুলিশ।

শুক্রবার রাতে খড়্গপুর গ্রামীণ থানায় সাংবাদিক বৈঠক করেন জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা। তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া মাংসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পশু চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসার পরই মাংসটি কোন পশুর, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, খড়্গপুরে এই ধরনের বেআইনি ব্যবসার সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পিছনে কোনও বড় পাচারচক্র রয়েছে কি না, গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তা খতিয়ে দেখছে খড়্গপুর গ্রামীণ থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মাংসের উৎস, গন্তব্য এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এই তিন দিকেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now