নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দ্রকোনা: পুলিশি হেফাজতে থাকা এক অভিযুক্তের মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানায়। মৃত যুবকের নাম রাহুল রুইদাস। চুরির একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। আদালতের নির্দেশে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীনই তাঁর মৃত্যু হওয়ায় ঘটনাকে ঘিরে উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন।
জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, দিন চারেক আগে চন্দ্রকোনা থানা এলাকা থেকে চুরির মামলায় রাহুল রুইদাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁকে ঘাটাল মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিশের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীন থানার বাথরুমে যান রাহুল। সেখানেই নিজের পরনের প্যান্ট ব্যবহার করে গলায় ফাঁস লাগানোর চেষ্টা করেন তিনি। বিষয়টি নজরে আসতেই পুলিশকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করেন।
গুরুতর অবস্থায় প্রথমে রাহুলকে চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। হাসপাতালের এইচডিইউ-তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
পুলিশি হেফাজতে থাকা একজন অভিযুক্ত কীভাবে এমন ঘটনা ঘটানোর সুযোগ পেলেন, সেই প্রশ্নও এখন সামনে আসছে। থানার নজরদারি ব্যবস্থা, হেফাজতে থাকা অভিযুক্তদের নিরাপত্তা এবং ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি সবকিছুই এখন গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই চন্দ্রকোনা জুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সম্পূর্ণ ক্রম এখনও তদন্তসাপেক্ষ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও পরবর্তী তদন্তেই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।











