প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

‘গাড়ি চালাতে হলে দিতে হবে ৫০ হাজার!’ টাকা না দেওয়ায় তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ, উত্তেজনা সবংয়ে

Published on: September 17, 2026
---Advertisement---

নিজস্ব সংবাদদাতা, সবং: কারখানায় গাড়ি ঢোকাতে হলে দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা! টাকা না দিলে চলবে না ব্যবসাও এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ে। দাবি মতো টাকা দিতে অস্বীকার করায় এক গেঞ্জি কারখানার মালিককে মারধর, জামা ছিঁড়ে দেওয়া এবং হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীর দাবি, অভিযুক্ত দু’জন বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

ঘটনাটি সবংয়ের উদ্ধবপুর গ্রামের কলাপুঞ্জা পাড়ার। অভিযোগকারী নিমাই চাঁদ হাজরার দাবি, প্রায় সাত বছর ধরে ওই এলাকায় তিনি একটি ছোট গেঞ্জি কারখানা চালিয়ে আসছেন। নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক বলেও জানিয়েছেন তিনি।

অভিযোগ, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ বিশ্বকর্মা পুজোর জন্য কারখানায় প্রয়োজনীয় মালপত্র নিয়ে গাড়িতে করে যাওয়ার সময় তাঁর পথ আটকানো হয়। নিমাই হাজরার দাবি, দেবাশীষ কবিরাজ ও আশীষ কবিরাজ নামে দুই ব্যক্তি তাঁর গাড়ি থামিয়ে দেন।

এরপরই শুরু হয় বচসা। অভিযোগ, কারখানায় গাড়ি নিয়ে যাতায়াত এবং এলাকায় ব্যবসা চালিয়ে যেতে হলে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে দাবি করা হয়। সেই টাকা দিতে সরাসরি অস্বীকার করতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।

নিমাই দাবি, প্রথমে তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। এরপর জামার কলার ধরে টানাটানি করে জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, চড়-থাপ্পড় ও লাথি মেরে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

গন্ডগোলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নিমাইবাবুর মা ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী। পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের সামনে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার ধাক্কায় নিমাইবাবুর স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত সবং গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার পর আর দেরি না করে সবং থানার দ্বারস্থ হন নিমাই চাঁদ হাজরা। দেবাশীষ কবিরাজ ও আশীষ কবিরাজের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি। অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয়ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ফলে পুলিশি তদন্তে ঠিক কী তথ্য উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now