নিজস্ব সংবাদদাতা, সবং: গভীর রাত। হঠাৎই গেঞ্জি তৈরির কারখানা থেকে বেরোতে শুরু করে আগুনের লেলিহান শিখা। চোখের সামনে মুহূর্তে ভয়াবহ আকার নেয় আগুন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রায় গোটা কারখানা গ্রাস করে ফেলে আগুন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং ব্লকের নারায়ণবাড় গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে আচমকা ওই গেঞ্জি তৈরির কারখানায় আগুন দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রথমে ছোট পরিসরে আগুন দেখা গেলেও মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে কারখানার বিভিন্ন অংশে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে কিছুক্ষণের মধ্যেই কারখানার ভিতরে থাকা সামগ্রী একের পর এক পুড়ে যেতে শুরু করে।
দাউদাউ আগুন আর কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন আশপাশের বাসিন্দারা। স্থানীয়রা প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যায়। খবর দেওয়া হয় দমকল বিভাগে।
খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে গেঞ্জি তৈরির কারখানার বড় অংশই পুড়ে ছাই হয়ে যায় বলে স্থানীয়দের দাবি।
প্রাথমিকভাবে অনুমান, অগ্নিকাণ্ডে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। কারখানার ভিতরে কী কী সামগ্রী ছিল এবং কতটা পুড়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশও। কীভাবে আগুন লাগল, শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনও কারণ তা এখনও নিশ্চিত নয়। দমকল বিভাগের পক্ষ থেকেও আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাতের অন্ধকারে আচমকা এমন অগ্নিকাণ্ডে নারায়ণবাড় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এখন প্রশ্ন একটাই নিছক দুর্ঘটনা, নাকি আগুন লাগার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? তদন্তের পরই মিলবে সেই উত্তর।











