নিজস্ব সংবাদদাতা, নয়াগ্রাম: লোকালয়ের একেবারে কাছেই পড়ে রয়েছে পূর্ণবয়স্ক চিতল হরিণের নিথর দেহ! বুধবার সকালে নয়াগ্রামের খড়িকামাথানী স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকা থেকে হরিণটির দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কীভাবে জনবহুল এলাকার এত কাছে এসে মৃত্যু হল বন্যপ্রাণীটির, তা ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়িকামাথানী স্টেডিয়াম থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে রাস্তার পাশের ঝোপঝাড়ের মধ্যে সবুজ ঘাসের উপর হরিণটির দেহ পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন বাসিন্দা। মুহূর্তের মধ্যেই খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কৌতূহলী মানুষের ভিড়ও জমতে শুরু করে ঘটনাস্থলে।
খবর পৌঁছতেই নয়াগ্রাম রেঞ্জ অফিসের বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। হরিণটির দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত চিতল হরিণটি পূর্ণবয়স্ক এবং তার আনুমানিক বয়স ৮ থেকে ৯ বছর।
কিন্তু প্রশ্ন একটাই হরিণটির মৃত্যু হল কীভাবে?দুর্ঘটনার ধাক্কা, শারীরিক অসুস্থতা, নাকি মৃত্যুর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ এই মুহূর্তে কোনও সম্ভাবনাই নিশ্চিত করে বলতে চাইছে না বন দফতর। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে হরিণটির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলেই রহস্যের জট খুলতে পারে বলে বন দফতর সূত্রে খবর।
ঘটনাস্থল ঘুরে দেখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করেছেন বন দফতরের আধিকারিকরা। হরিণটি কোন দিক থেকে লোকালয়ে ঢুকেছিল, মৃত্যুর আগে তার গতিবিধি কী ছিল সেই দিকগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খড়িকামাথানীর মতো ব্যস্ত এলাকার পাশে পূর্ণবয়স্ক চিতল হরিণের নিথর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাই এখন একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। আপাতত ময়নাতদন্তের রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে বন দফতর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা।











