প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

BREAKING: টাঙ্গির আঘাতে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু? হাতিহল্কায় রাজনৈতিক উত্তেজনা

Published on: September 26, 2026
---Advertisement---

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: নতুন জেলা সভাপতি ঘোষণার পর উত্তেজনার আবহ, তার মধ্যেই রক্তাক্ত মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহল্কা! বিজেপি কর্মীদের উপর লাঠি, রড ও টাঙ্গি নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠল একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বিজেপি কর্মী সামসের খানের। আহত হয়েছেন আরও একজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, শুক্রবার বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতি হিসেবে সৌমেন তিওয়ারির নাম ঘোষণার পর থেকেই হাতিহল্কা এলাকায় চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়। তার মধ্যেই বিজেপি কর্মীদের উপর আচমকা হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের একাংশের দাবি, লাঠি ও রডের পাশাপাশি টাঙ্গি নিয়েও হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় গুরুতর জখম হন সামসের। তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর।

ঘটনার পরেই সামনে এসেছে রাজনৈতিক অভিযোগও। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, হামলার পিছনে তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা রয়েছে। যদিও এই অভিযোগ এখনও পুলিশি তদন্তে প্রমাণিত নয়। অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্ব সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের নাম না নিয়ে দাবি করেছে, দুষ্কৃতীরাই তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে।

সামসেরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে জড়ো হন শতাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক। তাঁদের দাবি, হামলায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত মৃতদেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়া হবে না বলেও দাবি করেছেন বিক্ষুব্ধ কর্মীরা।

ফলে হাসপাতাল চত্বরে তৈরি হয়েছে প্রবল উত্তেজনা। কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে না ঘটে, সে জন্য মোতায়েন করা হয়েছে বড় পুলিশ বাহিনী।

কারা চালাল এই প্রাণঘাতী হামলা? রাজনৈতিক শত্রুতা, নাকি ঘটনার পিছনে রয়েছে অন্য কোনও বিবাদ? সামসের খানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে হাতিহল্কায়। তদন্তে হামলাকারীদের পরিচয় এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ সামনে আসার অপেক্ষা।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now