নিজস্ব সংবাদদাতা: চোলাইয়ের ঠেক থেকে গাঁজা-হেরোইন-চরসের কারবার নেশার বেআইনি ব্যবসার বিরুদ্ধে এবার প্রশাসনকে কড়া হাতে নামার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। শুক্রবার বর্ধমান পুলিশ লাইনের মাঠে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে পুলিশ ও আবগারি দফতরকে যৌথ অভিযানের নির্দেশ দেন তিনি। জেলার চোলাইয়ের ঠেক চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও স্পষ্ট ভাষায় জানান মুখ্যমন্ত্রী।
প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা, “নেশামুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়ে দেবেন তো?” এরপরই পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপারকে উদ্দেশ করে চোলাইয়ের ঠেকগুলির বিরুদ্ধে আবগারি দফতরকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট বেআইনি নেশার কারবারে কোনওরকম ঢিলেমি তিনি চান না।
শুধু চোলাই নয়। গাঁজা, হেরোইন ও চরসের বেআইনি কারবারের বিরুদ্ধেও এদিন সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী। মাদক মামলায় ধৃতদের ক্ষেত্রে কঠোর আইনি ব্যবস্থার কথা বলতে গিয়ে ২০ বছর পর্যন্ত জেল খাটানোর হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। তবে সেটি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া রাজনৈতিক-প্রশাসনিক বার্তা; কোনও নির্দিষ্ট মামলায় শাস্তির মেয়াদ শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট আইন ও আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।
নিষিদ্ধ কফ সিরাপ ধ্বংসের সাম্প্রতিক অভিযানের প্রসঙ্গও টেনে আনেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্যের শুধু ছোটখাটো চোলাইয়ের ঠেক নয়, মাদকের বড় নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধেও একইভাবে কড়া পদক্ষেপ চাই।
বর্ধমানের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে তাই কার্যত স্পষ্ট বার্তা গেল জেলার পুলিশ-প্রশাসনের কাছে।চোলাইয়ের হাঁড়ি হোক বা মাদকের কারবার, বেআইনি নেশার ব্যবসা চললে এবার নামবে প্রশাসনের কড়া হাত।











