নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্ত্রীকে রড দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। গুরুতর জখম স্ত্রী কলকাতায় চিকিৎসাধীন। আর সেই ঘটনার পর থেকেই রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ ছিলেন স্বামী। কয়েক দিনের মাথায় মঙ্গলবার সকালে বাড়ির অদূরের ঝোপ থেকে উদ্ধার হল তাঁর পচাগলা দেহ! ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা ব্লকের ১ নম্বর কুসুমদা অঞ্চলের ভোগদণ্ড গ্রামে।
মৃত ব্যক্তির নাম সুকুমার ডাং (৪৫)। স্থানীয় সূত্রে দাবি, কয়েক দিন আগে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদের জেরে তাঁকে রড দিয়ে মারধর করেছিলেন সুকুমার। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই মহিলাকে প্রথমে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কলকাতায় চিকিৎসাধীন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আর বাড়িতে দেখা যায়নি সুকুমারকে।
এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ঝোপের মধ্যে পচাগলা অবস্থায় একটি দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কাছে গিয়ে দেহটি সুকুমারের বলে শনাক্ত করা হয়। খবর ছড়াতেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পিংলা থানার পুলিশ।
পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে পুলিশের অনুমান। তবে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন, না কি মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে। তা এখনও স্পষ্ট নয়।
স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, তার পর নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এবং কয়েক দিনের মধ্যেই ঝোপ থেকে পচাগলা দেহ উদ্ধার পরপর এই ঘটনাক্রম ঘিরেই এখন নানা প্রশ্ন উঠছে এলাকায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পিংলা থানার পুলিশ।











