প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

Keshiyari: হোটেলে দেহ ব্যবসার অভিযোগ, রাতভর বিক্ষোভ! আটক মালিক-সহ ৩ মহিলা

Published on: August 21, 2026
---Advertisement---

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আলোয় হোটেল, রাত নামলেই কি চলত ‘অন্য কারবার’? হোটেলের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উত্তাল হয়ে উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি থানার আমতলা এলাকা। ঘটনাকে ঘিরে হোটেলের সামনে চলে রাতভর বিক্ষোভ। শেষ পর্যন্ত হোটেল মালিক-সহ তিন মহিলাকে আটক করে পুলিশ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আমতলা এলাকার ‘হোটেল অ্যান্ড লজ’-কে সামনে রেখে বেশ কিছুদিন ধরেই গোপনে দেহ ব্যবসার কারবার চলছিল। হোটেলে বাইরে থেকে মহিলাদের এনে এই বেআইনি কাজ চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মহিলারা ও বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার রাত গড়াতেই হোটেলের সামনে জড়ো হন বহু মানুষ। শুরু হয় বিক্ষোভ। হোটেল মালিক এবং ভিতরে থাকা তিন মহিলাকে ঘিরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেশিয়াড়ি থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতিতেও থামেনি ক্ষোভ। বরং পুলিশকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান এলাকার মহিলারা। তাঁদের অভিযোগ, দিনের পর দিন হোটেলে সন্দেহজনক কার্যকলাপ চললেও পুলিশ কেন আগে কোনও ব্যবস্থা নিল না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

স্থানীয়দের সরাসরি অভিযোগ ‘সব জেনেও নীরব ছিল পুলিশ!’ বিক্ষোভকারীদের দাবি, বেশ কয়েকদিন ধরে হোটেলটিকে ঘিরে নানা অভিযোগ সামনে আসছিল। পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, অভিযোগ সত্যি হলে এতদিন ধরে কীভাবে এই কারবার চলল? আর যদি অভিযোগ ভিত্তিহীন হয়, তাহলে তার সত্যতা যাচাই করতে এত দেরি কেন?

শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে হোটেল মালিক ও তিন মহিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। তবে হোটেলে সত্যিই দেহ ব্যবসা চলছিল কি না, কারা এর সঙ্গে যুক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে এমন কোনও কর্মকাণ্ড চললে তার পিছনে কারও মদত ছিল কি না‌ সবটাই এখন তদন্তসাপেক্ষ। একইসঙ্গে স্থানীয়দের তোলা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগের উত্তরও খুঁজছে গোটা ঘটনা।অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হবে কি না, নাকি রাতের বিক্ষোভের পর বেরিয়ে আসবে আরও কোনও চাঞ্চল্যকর তথ্য এখন সেদিকেই নজর।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now