ঘাটশিলা: ঘাটশিলা ও সংলগ্ন এলাকার রেলযাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হল। শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ঘাটশিলা স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্টপেজ চালু হল দুটি গুরুত্বপূর্ণ দূরপাল্লার ট্রেন—হাওড়া–ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস–হাওড়া গীতাঞ্জলি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস এবং হাওড়া–পুনে–হাওড়া আজাদ হিন্দ এক্সপ্রেসের।
রেল বোর্ডের অনুমোদনের পর এদিন ঘাটশিলা স্টেশনে এই নতুন স্টপেজের সূচনা উপলক্ষে আয়োজন করা হয় বিশেষ অনুষ্ঠানের। প্রথম নির্ধারিত স্টপেজের পর বিকেল ৪টা ৩২ মিনিটে ১২৮৬০ হাওড়া–ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস গীতাঞ্জলি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসকে সবুজ পতাকা দেখিয়ে ঘাটশিলা স্টেশন থেকে যাত্রার সূচনা করেন জামশেদপুরের সাংসদ বিদ্যুৎ বরণ মাহাতো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঘাটশিলার বিধায়ক সোমেশচন্দ্র সোরেন এবং হিন্দুস্তান কপার লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর উমেশ সিং। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খড়গপুরের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার ললিত মোহন পাণ্ডে, সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার নিশান্ত কুমার-সহ রেলের একাধিক আধিকারিক।
রেলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ১২৮৫৯/১২৮৬০ গীতাঞ্জলি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস এবং ১২১২৯/১২১৩০ আজাদ হিন্দ এক্সপ্রেস ঘাটশিলা স্টেশনে নির্ধারিত সময়ের জন্য থামবে।
এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের স্টপেজ চালু হওয়ায় ঘাটশিলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার যাত্রীদের জন্য হাওড়া, মুম্বই ও পুনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরে যাতায়াত আরও সহজ হবে। বিশেষ করে কর্মসূত্রে কিংবা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে মুম্বই ও পুনে যাতায়াতকারী যাত্রীরা সরাসরি রেল যোগাযোগের সুবিধা পাবেন।
এদিনের অনুষ্ঠানে ZRUCC ও DRUCC-র সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রেলযাত্রী এবং বহু সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নতুন স্টপেজ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও ছিল যথেষ্ট উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস।
রেল কর্তৃপক্ষের আশা, ঘাটশিলায় গীতাঞ্জলি ও আজাদ হিন্দ এক্সপ্রেসের স্টপেজ চালু হওয়ায় যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত হবে এবং ঘাটশিলার সঙ্গে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক শহরগুলির যোগাযোগ আরও মজবুত হবে।











