প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

শালবনি জমি কাণ্ডে নতুন মোড়! পাঁচ মোবাইল উদ্ধার, সুমিতের ফের CID হেফাজত

Published on: September 19, 2026
---Advertisement---

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: শালবনির জমি জালিয়াতি মামলায় ফের আদালতের নির্দেশে সিআইডি হেফাজতে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। টানা আট দিন হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের পর শনিবার তাঁকে ফের মেদিনীপুর আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে সুমিত-সহ মামলায় ধৃত চার জনকে আরও পাঁচ দিনের জন্য সিআইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁদের ফের আদালতে হাজির করানো হবে।

এদিন আদালত চত্বর ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। সরকারি পক্ষের আইনজীবী সৈয়দ নাজিম হাবিব আদালতে দাবি করেন, আগের দফার জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তকারীদের হাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরে সুমিতকে আরও জেরা করা প্রয়োজন বলে আদালতে জানায় সিআইডি। একই মামলায় ধৃত অমিত ঘোষ, নিত্য রায় ও লক্ষ্মী ভুঁইয়াকে জেরা করেও নতুন তথ্য মিলেছে বলে সরকারি পক্ষের দাবি।

তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে মোট পাঁচটি মোবাইল ফোনের পাশাপাশি একাধিক নথি উদ্ধার হয়েছে। ওই মোবাইলগুলির তথ্য, যোগাযোগের নথি এবং আর্থিক লেনদেনের সূত্র খতিয়ে দেখে জমি মামলার যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা চলছে। আদালতে সাত দিনের হেফাজতের আবেদন জানিয়েছিল সিআইডি। শেষ পর্যন্ত বিচারক পাঁচ দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেন।

শালবনির জমি সংক্রান্ত এই মামলায় এর আগেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরা। তদন্তের সূত্র ধরে গত ১০ সেপ্টেম্বর সুমিত রায়কে গ্রেফতার করে সিআইডি। পরের দিন আদালত তাঁকে আট দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছিল।

সিআইডির তদন্তে আরও কিছু আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার আদালতে পেশ করা তদন্ত-সংক্রান্ত নথির ভিত্তিতে সিআইডির দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সুমিত কিছু দলীয় আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তবে সেই বক্তব্যের সত্যতা এবং টাকার উৎস এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়ার প্রস্তুতিও করছেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

একদিকে একের পর এক গ্রেফতার, অন্যদিকে মোবাইল ও নথি উদ্ধার। সব মিলিয়ে শালবনির জমি মামলার তদন্ত ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। তবে তদন্তকারী সংস্থার সমস্ত দাবি এখনও আদালতে বিচারাধীন। কে বা কার ভূমিকা কতটা, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমেই।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now