প্রথম পাতারাজনীতিপশ্চিমবঙ্গকলকাতাদেশআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআবহাওয়াভাইরালচাকরিবাজারদরবিজ্ঞান প্রযুক্তিস্বাস্থ্যঐতিহাসিক
---Advertisement---

Exclusive: বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত সবং, জলবন্দি মানুষের পাশে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা; চলছে ত্রাণ বিলি

Published on: August 17, 2026
---Advertisement---

ইন্দ্রজিৎ সাহু, সবং: টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ফের ভয়াবহ জলমগ্নতার মুখে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। সারতা, বিষ্ণুপুর, বলপাই, দশগ্রাম, চাউলকুড়ি-সহ একাধিক অঞ্চলে ঢুকে পড়েছে বৃষ্টির জল। কোথাও রাস্তাঘাট জলের তলায়, আবার কোথাও বাড়ির উঠোন ও চৌহদ্দিতে জমে রয়েছে জল। ফলে ব্যাহত হয়েছে স্বাভাবিক জনজীবন, বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগ।

সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সারতা অঞ্চলের ছাতারকোল, সাতসাই, চাঁদাগোবরা-সহ একাধিক এলাকায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতেও। কয়েকটি স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চত্বর এবং আশপাশে জল জমে যাওয়ায় ব্যাহত হয়েছে পঠনপাঠন। জল পেরিয়ে স্কুলে যাতায়াত করাও কার্যত দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে পড়ুয়াদের কাছে।

এমন পরিস্থিতিতে সোমবার দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে নামল প্রশাসন। বন্যাকবলিত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা এবং Barun Kumar Ray, I.A.S. Additional Chief Secretary, Tourism Department । তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সবংয়ের বিডিও রোমান মণ্ডল এবং বিধায়ক অমল পণ্ডা। তাঁরা বিভিন্ন জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন।

জলবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইতিমধ্যেই ত্রাণকাজ শুরু করেছে প্রশাসন। দুর্গত পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে খাদ্যসামগ্রী ও ত্রিপল। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ত্রাণসামগ্রী ও ত্রিপল।

জলবন্দি বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। স্থানীয় স্কুলগুলিকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে সেখানে থাকার পাশাপাশি খাবারের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, নতুন করে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সবংয়ের বিভিন্ন এলাকায় জলস্তর ফের বাড়তে থাকায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। বিশেষ করে নিচু এলাকাগুলিতে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সকলের। প্রশাসনের তরফেও পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ, নদী-খাল ও জলস্তরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now