নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দ্রকোনা রোড: কয়েক দিন আগেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শাবক-সহ তিনটি হাতির মৃত্যুর ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের উদ্ধার হল একটি মৃত হস্তিশাবক। চন্দ্রকোনা রোড সংলগ্ন নয়াবসত রেঞ্জের কিয়ামাচা বিটের চাঁদাবিলা গ্রামের কুবাই নদী থেকে উদ্ধার করা হয় হস্তিশাবকটির পচাগলা দেহ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নদীর জলে একটি হাতির দেহ ভাসতে দেখেন এলাকার বাসিন্দারা। খবর ছড়াতেই নদীর পাড়ে ভিড় জমে যায়। পরে বন দফতরকে খবর দেওয়া হলে বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে দেহটি উদ্ধার করেন। হস্তিশাবকটির দেহে ইতিমধ্যেই পচন ধরেছিল। ফলে তার মৃত্যু কয়েক দিন আগে হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের ধারণা, অন্য কোনও এলাকায় জলে পড়ে শাবকটির মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
পরে নদীর স্রোতে ভেসে দেহটি চাঁদাবিলা এলাকায় এসে পৌঁছয়। যদিও এই অনুমানের সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়। কী ভাবে হস্তিশাবকটির মৃত্যু হল? কোথায় তার মৃত্যু হয়েছিল? নদীর স্রোতে কত দূর থেকে দেহটি ভেসে এসেছে? মৃত্যুর নেপথ্যে দুর্ঘটনা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে বন দফতর।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ সেপ্টেম্বর হাড়তোরা গ্রামের মাঠে দুই হস্তিশাবক-সহ তিনটি হাতির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। তদন্তে তাদের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি সামনে আসে। তার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ফের কুবাই নদী থেকে আরও একটি হস্তিশাবকের দেহ উদ্ধার হওয়ায় বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় হাতির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।











