নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘদিন পর পঞ্চায়েত অফিসে পা রাখতেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ! আর সেই বিক্ষোভের জেরে শেষ পর্যন্ত পঞ্চায়েত কার্যালয়ের ভিতরেই ‘বন্দি’ হতে হল প্রধানকে। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন-২ ব্লকের সাবড়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে এই ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগ, দীর্ঘদিন পর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে আসেন প্রধান মীর সুরজ। তাঁকে দেখেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীদের একাংশ। বিক্ষোভ ক্রমশ তীব্র আকার নিলে প্রধানকে অফিসের ভিতরে আটকে রেখে বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ফলে দীর্ঘক্ষণ পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরেই আটকে থাকতে হয় প্রধানকে। বাইরে তখন চলতে থাকে বিক্ষোভ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বেলদা থানার অন্তর্গত জোড়াগেরিয়া ফাঁড়ির পুলিশ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পুলিশের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত অফিসের তালা খোলা হয়। এরপর প্রধান মীর সুরজকে উদ্ধার করা হয়।
তবে এই ঘটনার নেপথ্যে ঠিক কী ক্ষোভ, কেন এতদিন পর পঞ্চায়েত অফিসে আসা প্রধানকে ঘিরে এমন বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হল, এবং কোন অভিযোগকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীদের এই বিক্ষোভ তা নিয়েই এখন উঠছে একের পর এক প্রশ্ন।
পঞ্চায়েত অফিসে প্রধানকে আটকে বাইরে থেকে তালা দেওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও পঞ্চায়েতের ভূমিকা নিয়েও। যদিও গ্রামবাসীদের অভিযোগ এবং পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য এখনও বিস্তারিতভাবে সামনে আসেনি। প্রধানকে ঘিরে ক্ষোভ কি শুধুই পরিষেবা নিয়ে, নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় কোনও কারণ? সাবড়ার এই ‘তালা-কাণ্ড’ ঘিরে এখন এলাকাজুড়ে চলছে জোর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চর্চা। ঘটনা কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর স্থানীয় মহলের।











