নিজস্ব সংবাদদাতা, সবং: অর্ধশতকের গণ্ডি পেরিয়ে এবার ৫১ বছরের পথচলা! ঐতিহ্য আর আবেগকে সঙ্গী করে নতুন অধ্যায়ে পা রাখল পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং ব্লকের তেমাথানি গান্ধী ওয়েসাইড মার্কেট দুর্গোৎসব কমিটি। শারদোৎসবের আনন্দে যখন মেতে উঠেছে গোটা এলাকা, ঠিক তখনই জেলার পুলিশ সুপারের হাত ধরে আনুষ্ঠানিক সূচনা হল এই ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপুজোর।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তেমাথানি গান্ধী ওয়েসাইড মার্কেট দুর্গোৎসব কমিটির ৫১তম বর্ষের ফিতা কেটে পুজোর উদ্বোধন করেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা। তাঁর উপস্থিতিকে ঘিরে পুজো উদ্যোক্তা থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ছিল উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূজো কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক অমূল্য মাইতি, সম্পাদক জয়দেব প্রমাণিক, সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র পাল, কোষাধ্যক্ষ শসধর দাস, কমিটির অন্যতম সদস্য শংকর সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষ, সবং থানার ওসি সৌম্যতেন্দু বেরা-সহ এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে শামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারাও। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ও উৎসাহ অনুষ্ঠানকে অন্য মাত্রা দেয়।
পাঁচ দশক পেরিয়েও অটুট আবেগ! সময়ের সঙ্গে বদলেছে পুজোর আয়োজন, বদলেছে প্রজন্ম। কিন্তু দুর্গোৎসবকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের আবেগ আজও অমলিন। ৫১ বছরের এই দীর্ঘ পথচলা শুধু একটি পুজো কমিটির সাফল্য নয়, এলাকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। একদিকে পুজোর আনন্দ, অন্যদিকে জেলার শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের উপস্থিতি সব মিলিয়ে এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল বিশেষ উন্মাদনা।
তেমাথানির এই দুর্গোৎসবকে ঘিরে প্রতি বছরের মতো এবারও স্থানীয় মানুষের মধ্যে উৎসাহ চোখে পড়ছে। অর্ধশতক পেরিয়ে ৫১তম বর্ষে পা রাখা এই পুজো যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিল, দুর্গাপুজো কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, বাঙালির মিলনমেলা, আবেগ আর সম্প্রীতিরও এক অনন্য উদ্যাপন। তেমাথানির শারদ আকাশে তাই এবার উৎসবের আনন্দের সঙ্গে মিশে রইল ৫১ বছরের গৌরবময় পথচলার স্মৃতি।











